আলো খোঁজার এই যাত্রায় অন্ধকারই কি শেষ কথা? নাকি আঘাতের পর আঘাত পেরিয়ে একদিন চতুর্দশীর চাঁদের মতোই পূর্ণ হয়ে উঠবে আলোর মুখ?
নিমাই ঘোষের ‘চতুর্দশীর চাঁদ’ সমকাল, মানুষ, ইতিহাস ও নিজের অন্তর্জগতের মুখোমুখি দাঁড়ানো এক কবির অনুসন্ধানের বই। কখনও ছায়ায় ঘেরা নিস্তব্ধ সমাজ, কখনও শূর্পণখার প্রতিবাদী প্রেম, কখনও গান্ধারীর রক্তাক্ত স্মৃতি, আবার কখনও পিরামিডের মমির পাশে দাঁড়িয়ে ইতিহাসের নির্মম প্রশ্ন—কবিতাগুলি বারবার আমাদের ফিরিয়ে আনে মানুষ ও মানবিকতার কাছে।
এখানে ধর্মের বাহ্যিক আচার নয়, জীবনের স্পন্দনই সত্য; নীরবতার বিপরীতে উচ্চারিত হয় প্রতিবাদের ডাক। ব্যক্তিগত বোধ, সামাজিক অস্থিরতা ও মানবিক দায় মিলেমিশে এই কাব্যগ্রন্থে তৈরি করেছে এক স্বতন্ত্র স্বর—যেখানে অন্ধকারের ভিতরেও আলো খোঁজা থামে না।
প্রি-বুক
বইটি প্রকাশিত হবে ৫ অক্টোবর ২০২৬। প্রি-বুক করলে পাবেন লেখকের স্বাক্ষরিত কপি, সঙ্গে ৩০% ছাড়। প্রকাশের পর বই পাঠানো শুরু হবে।
লেখক পরিচিতি
নিমাই ঘোষের প্রথম পরিচয়—তিনি একজন অভিনেতা। ১৯৪২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি উত্তর কলকাতার ঈশ্বর মিল লেনে জন্ম; বড় হয়ে ওঠা ফকির চক্রবর্তী লেনে। ১৯৬৪ সালে ‘নান্দীকার’-এ অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে থিয়েটারের পাঠ নেন এবং ১৯৬৬ সালে বিভাস চক্রবর্তী, অশোক মুখোপাধ্যায়, চিন্ময় রায় প্রমুখের সঙ্গে গড়ে তোলেন ‘থিয়েটার ওয়ার্কশপ’। পরবর্তীকালে ‘ক্লাস থিয়েটার’ ও ‘ফোকাস’ পরিচালনা করেন। মৃণাল সেন-সহ বহু পরিচালকের ২০০-রও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। দূরদর্শনের ‘জন্মভূমি’ ধারাবাহিকে মাধব চরিত্র তাঁকে জনপ্রিয় করে। ভারতীয় ডাকবিভাগের কর্মী হিসেবেও দীর্ঘ কর্মজীবন কাটিয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি কবিতা, গল্প ও নাটক লিখেছেন। প্রকাশিত বই ‘পথিকবর দাঁড়াও’ (২০২৩) ও ‘নিমাই ঘোষের গল্প’ (২০২৪)। ‘চতুর্দশীর চাঁদ’ তাঁর দ্বিতীয় কবিতার বই।
লেখকের আলোকচিত্র: সন্দীপ কুমার।